তাঁর সমসাময়িক সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে গভীর চিন্তাধারার সংযোগ ছিল।
সন্তোষ গুপ্ত তাঁর সময়ের অন্যতম প্রভাবশালী বুদ্ধিজীবী মহলের সদস্য ছিলেন। তিনি সমসাময়িক লেখক, কবি, সাংবাদিক এবং চিন্তাবিদদের সাথে নিয়মিত মতবিনিময় করতেন। এই বুদ্ধিবৃত্তিক আদান-প্রদান তাঁর চিন্তাধারাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।
তাঁর সাংবাদিক বন্ধুদের মধ্যে ছিলেন দেশের খ্যাতনামা সংবাদপত্র সম্পাদক ও কলামিস্টরা। তাঁরা একসাথে কাজ করেছেন, চিন্তা বিনিময় করেছেন এবং সাংবাদিকতা পেশাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়েছেন। এই সহযোগিতা বাংলাদেশের সাংবাদিকতার ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
সন্তোষ গুপ্তের সাথে তাঁর সময়ের বিশিষ্ট সাহিত্যিকদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। তিনি সাহিত্য আড্ডায় নিয়মিত অংশগ্রহণ করতেন এবং সাহিত্য-সংস্কৃতি নিয়ে আলোচনা করতেন। এই সাহিত্যিক পরিবেশ তাঁর লেখনীতে গভীরতা এনেছে।
মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি যাঁদের সাথে কাজ করেছেন, তাঁরা আজীবন তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা রক্ষায় তাঁরা একসাথে কাজ করেছেন এবং দেশের উন্নয়নে অবদান রেখেছেন।
সন্তোষ গুপ্ত এবং তাঁর সমসাময়িকদের সহযোগিতা বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তাঁদের যৌথ প্রচেষ্টা দেশের সাংবাদিকতা, সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছে এবং নতুন প্রজন্মের জন্য পথ তৈরি করেছে।