প্রগতিশীল চিন্তার ধারক হিসেবে তিনি রাজনৈতিক অসঙ্গতি ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে কলম ধরেছিলেন।
সন্তোষ গুপ্ত ছিলেন একজন প্রগতিশীল চিন্তাবিদ। তিনি গণতন্ত্র, মানবাধিকার, ধর্মনিরপেক্ষতা এবং সামাজিক ন্যায়বিচারে বিশ্বাস করতেন। তাঁর রাজনৈতিক দর্শন ছিল মানবকেন্দ্রিক এবং প্রগতিমুখী।
১৯৮০-এর দশকে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে সন্তোষ গুপ্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর কলম ছিল স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী অস্ত্র। তিনি নির্ভীকভাবে স্বৈরাচারী শাসনের অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে লিখেছেন।
সন্তোষ গুপ্ত সারাজীবন গণতন্ত্রের পক্ষে লড়াই করেছেন। তিনি বিশ্বাস করতেন যে গণতন্ত্রই একমাত্র শাসনব্যবস্থা যা জনগণের অধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে পারে। তাঁর লেখনীতে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতিফলন ছিল সর্বদা।
তাঁর রাজনৈতিক বিশ্লেষণ ছিল গভীর, যুক্তিনির্ভর এবং তথ্যভিত্তিক। তিনি জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করতে পারতেন। তাঁর কলাম পাঠকদের রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
সন্তোষ গুপ্তের রাজনৈতিক চিন্তাধারা আজও প্রাসঙ্গিক। তাঁর লেখা আজও নতুন প্রজন্মকে রাজনৈতিকভাবে সচেতন হতে অনুপ্রাণিত করে। তিনি প্রমাণ করেছেন যে কলম তলোয়ারের চেয়ে শক্তিশালী হতে পারে।