পেশাগত জীবন

সাংবাদিকতা জীবনে সন্তোষ গুপ্ত ছিলেন নৈতিকতার প্রতীক। বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

Professional Life

সাংবাদিকতায় প্রবেশ

সন্তোষ গুপ্ত ১৯৭০-এর দশকের শুরুতে সাংবাদিকতা পেশায় প্রবেশ করেন। তাঁর সাংবাদিকতা জীবনের শুরু হয় দৈনিক বাংলায় একজন তরুণ প্রতিবেদক হিসেবে। প্রথম থেকেই তিনি সত্যনিষ্ঠা ও নৈতিকতার প্রতি অবিচল ছিলেন।

কর্মজীবনের উত্থান

দক্ষতা ও নিষ্ঠার কারণে তিনি দ্রুত পদোন্নতি লাভ করেন। ১৯৮৫ সালে তিনি দৈনিক ইত্তেফাকের সহযোগী সম্পাদক হিসেবে যোগদান করেন। এই সময়ে তিনি রাজনৈতিক ও সামাজিক বিষয়ে গভীর বিশ্লেষণধর্মী লেখা প্রকাশ করতে শুরু করেন।

প্রধান সম্পাদক হিসেবে

১৯৯৫ সালে সন্তোষ গুপ্ত দৈনিক জনকণ্ঠের প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এই পদে থাকাকালীন তিনি পত্রিকাটিকে দেশের অন্যতম প্রভাবশালী সংবাদপত্রে পরিণত করেন। তাঁর নেতৃত্বে জনকণ্ঠ সত্যনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার জন্য খ্যাতি অর্জন করে।

সাংবাদিকতার নীতি

  • সত্য প্রকাশে আপসহীন মনোভাব
  • ক্ষমতাসীনদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা
  • নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন
  • মানবাধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচারের পক্ষে অবস্থান
  • তরুণ সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ প্রদান

পেশাগত অবদান

সন্তোষ গুপ্ত শুধু একজন সাংবাদিক ছিলেন না, তিনি ছিলেন সাংবাদিকতা পেশার একজন শিক্ষক ও পথপ্রদর্শক। তিনি অসংখ্য তরুণ সাংবাদিককে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন এবং তাদের নৈতিক সাংবাদিকতার গুরুত্ব শিখিয়েছেন। তাঁর অবদানে বাংলাদেশের সাংবাদিকতা পেশা সমৃদ্ধ হয়েছে।